ঢাকা, বুধবার ১৯ জুন ২০২৪, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
বাচ্চা বিছানায় প্রস্রাব করলে করণীয়
উখিয়া নিউজ ডেস্ক :

ঘুমের মধ্যে বিছানায় বাচ্চার প্রস্রাব করা তথা বেডওয়েটিং নিরাময় যোগ্য একটি রোগ। সাত বছর বয়সের পর বাচ্চাদের এ ধরনের সমস্যা থাকে না; এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। এরপরও সাত বছরের পর বেড ওয়েটিং সমস্যার সমাধান না হলে চিকিৎসা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএসএম নওশাদ উদ্দিন আহমেদ।

কোনো বাচ্চা যদি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন করে টানা তিন মাস তার অজান্তে রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে, তাহলে এটাকে আমরা বেডওয়েটিং বলি। এটা একটা ইন ভলান্টারি মেথড। বাচ্চা তার নিজের অজান্তেই বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। এক্ষেত্রে বাচ্চার কোনো কন্ট্রোল থাকে না।

সাধারণত আমরা জানি, পাঁচ বছরের একটা বাচ্চা তার প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে রাতের বেলায়। পাঁচ থেকে সাত বছর বয়সের মধ্যে বাচ্চা যদি বিছানায় প্রস্রাব করে রাতের বেলায়, তখন সেটাকে আমরা বেডওয়েটিং বলি। সাত বছর বয়সের মধ্যে বেশিরভাগ বেডওয়েটিং বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু কিছু বাচ্চার সাত বছরের পরেও এ ধরনের সমস্যা থেকে যায়। এক্ষেত্রে অব্যাহত বেডওয়েটিং হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। আমাদের কাছে যখন কোনো রোগী আসে, আমরা তার হিস্ট্রি নিয়ে তার শারীরিক-পরীক্ষা এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকি।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর যদি আমরা নিশ্চিত হই এটা প্রাইমারি লেভেল, তখন সেক্ষেত্রে আমরা অভিভাবক এবং বাচ্চাকে কাউন্সেলিং করতে পারি। আর যদি সাত বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও বাচ্চার বেডওয়েটিং হচ্ছে এবং প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া রয়েছে, তাহলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বাচ্চা যদি বারবার বেশি পরিমাণে প্রস্রাব করে এবং প্রস্রাবের রঙ যদি হলুদ বা লাল হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *