ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
মাদকসহ আটক কিশোরদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে
ডেস্ক রিপোর্ট ::
যশোরের মনিরামপুরে মাদকসহ দুই কিশোরকে আটকের পর ফাঁড়িতে এনে উৎকোচ নিয়ে রাতে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। উপজেলার রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আশিকের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

আটকৃকতরা হলো- কেশবপুর উপজেলার সাবদিয়া গ্রামের রেজাউল ইসরামের ছেলে আবু সাইদ রেজা (১৭) ও একই উপজেলার ইমাননগর গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে হামিম বিন হামজা (১৪)।

পুলিশের উপ-পরিদর্শক আশিকের দাবি- বয়স কম হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেই ওই দুই কিশোরকে তাদের অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার থেকে ৪টি ইঞ্জেকশন, প্লাস্টিকের বোতলভর্তি তরল পদার্থসহ দুই কিশোরকে আটক করেন রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আশিক। এর আগে ওই বাজারে অবৈধ মোটরসাইকেল ধরছিলেন ট্রাফিক পুলিশ জাহিদ ও মোজাম্মেল হোসেন। এ সময় গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় ৪ কিশোরকে দাঁড় করায় ট্রাফিক পুলিশ। এ সময় দুই কিশোর দৌড়ে পালিয়ে গেলেও আটক হয় আবু সাইদ রেজা ও হামিম বিন হামজা। এসআই আশিক দুই কিশোরকে রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রে নেওয়ার পর রাত ১০টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এসআই আশিক উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বয়স কম হওয়ায় দুই কিশোরকে তাদের অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়। এর আগে তিনি আটকদের পরিচয় বলতে রাজি হননি।

ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ৪ কিশোরের মধ্যে দুই জন পালিয়ে গেলে বাকি দুইজনকে এসআই আশিক তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যান। এ সময় ওই দুই কিশোরের কাছে ৪টি ইঞ্জেকশন, কালো পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল ভর্তি তরল পদার্থ পাওয়া যায়। ওই সময় বাজারের এক ফার্মেসি মালিক তাদের জানান, ইঞ্জেকশনগুলো ঘুমের জন্য ব্যবহার করা হয়।

তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বাণি ইসরাইল বলেন, তাদের কাছে তেমন কিছু না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার আশেক সুজা মামুন বলেন, এ ব্যাপারে তাকে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *