ঢাকা, মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ১৫ টি অবৈধ ইটভাটা চলছে প্রভাবশালীদের শেল্টারে !
নিজস্ব প্রতিবেদক ::

কক্সবাজারের উখিয়ার পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ী ও ঘনবসতি এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর, ঘুমধুম পুলিশ, লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে প্রায় ১৫টি ইটভাটায় জ্বলছে ইট পুড়ছে বনের কাঠ। ধ্বংস হচ্ছে বনসম্পদ ও পরিবেশ। এসব ইটভাটার প্রতিটি অসাধারণ কোনো-না-কোনোভাবে স্থানীয় প্রভাবশালীদের শেল্টারে চলছে বলে স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে।
পরিবেশ সম্মত স্থান কাল ও পাত্র ভেদে ইট তৈরির বাধ্যবাদকতা থাকলেও এখানেই তা মানা হচ্ছে না। প্রভাব বিস্তার ও কালো টাকা ব্যবহারের মাধ্যমে লোকালয়ে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে তৈরি করা হচ্ছে পাকা স্থাপনা তৈরির অন্যতম উপকরন ইট। ইট তৈরি ও পুড়ানোর ক্ষেত্রে বনসম্পদ ব্যবহারের উপর পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ভাটা মালিকেরা লোক দেখানো কিছু পরিমান কয়লা মজুদ করে পেছনের দরজা দিয়ে ইট ভাটায় জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যাক্তি মালিকানাধিন সামাজিক বনায়নের কাঠ ও বন সম্পদ। এমনকি লোকালয় থেকে ফলজ ও বনজ গাছ কম মূল্যে ক্রয় করে ইট ভাটায় পুড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। ইট ভাটায় স্থাপন করা চিমনির কালো ধুঁয়ায় স্থানীয় পরিবেশ দূষিত হয়ে কৃষিজাত পন্যের উপর প্রভাব পড়ছে।পাশাপাশি ইট ভাটা সংলগ্ন বসতি গুলোতে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা করোনা রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর, সোনাইছড়ি, ঘুমধুমের চাইল্যাতলী সাগর, আজু খাইয়ায় শহিদুল আলম, আবুল কালাম মেম্বার ও রেজু আমতলীর ছৈয়দ হোসেন, খুনিয়াপালংয়ের আলমগীর, রেজু পাত্রাঝিরির হায়দার আলী ও হলদিয়া পাতাবাড়ী, ইউপি সদস্য ফজল করিম, পাতাবাড়ী খেওয়াছড়ি বাদশাহ মেম্বার, মধ্যম হলদিয়া আব্দুস ছবুর কোম্পানি মালিকানাধীন কয়েকটি ইট ভাটা ঘুরে দেখা যায়, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ির ১৫ টি ভাটার সামনে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য কিছু পরিমান কয়লা মজুদ রাখা হলেও তা ব্যবহার করা হচ্ছে না। ইট ভাটার পেছনে গিয়ে দেখা যায়, শতশত টন কাচা লাকড়ী মজুদ রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *