ঢাকা, বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
ছিনতাইকালে ওয়াকিটকিসহ ২ ভুয়া ডিবি আটক
ডেস্ক রিপোর্ট ::

টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের সময় রাজশাহীতে দুই ভুয়া ডিবি পুলিশকে আটক করেছেনে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর শিরোইল বাসষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করেন।

আটককৃত দুইজন হলেন- মাভেল ইসলাম ওরফে মাভেল (২৪) ও তার ভাই নেহাল ইসলাম ওরফে নিরো (২২) নগরীর শাহ মখদুম থানার বড় বনগ্রাম বাগানপাড়ার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে দুই ভুয়া ডিবি কাম ছিনতাইকারীর কাছ থেকে পুলিশের ওয়াকিটকি পাওয়ার ঘটনায় রাজশাহী মহানগর পুলিশে তোলপাড় চলছে। একাধিক দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, দুই ছিনতাইকারীর হাতে পুলিশের ওয়াকিটকি কীভাবে গেলো। আরএমপিতে ইস্যুকৃত ওয়াকিটকির সংখ্যা ঠিক আছে কিনা তার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশেরই কেউ এই ওয়াকিটকি তাদেরকে দিয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওয়াকিটকিটি মটরোলা কোম্পানির তৈরি বলে জানা গেছে।

আরএমপির সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহীর কর্ণহার এলাকার তরিকুল ইসলাম এমপি সাফারী নামের একটি কোচে ঢাকা থেকে রাজশাহীর সিরোইল বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে নামেন। এ সময় মাভেল ইসলাম ও তার ভাই নেহাল ইসলাম নিরো এই যাত্রীকে টানতে টানতে আড়ালে নিয়ে যায়। ডিবি পুলিশ পরিচয়ে যাত্রীর শরীর তল্লাশির নামে পকেটে থাকা ৬ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। গাজা ও ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে ভয় দেখিয়ে তরিকুলের মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের লোকেদের কাছে তাকে দিয়েই ফোন করানো হয়। বিকাশে পাঠাতে বলা হয়।

এদিকে তরিকুল ছাড়া পাবার চেষ্টা করলে ওয়াকিটকি বের করে তাকে মাদক দিয়ে চালান করার ভয় দেখায় দুই জন। টার্মিনাল এলাকার কৌতুহলী লোকজন ঘটনা দেখতে ভিড় করলে দুই ছিনতাইকারী নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে পরিচয় দিয়ে তাদেরকেও ভয় দেখায়। এর মধ্যে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাভেল ও নিরো পালানো চেষ্টা করেন। পরে তাড়া করে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আরএমপির সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে মাভেল ও নিরো দুই ভাই আরএমপির একটি থানার সাবেক একজন ওসি ও একজন এসআইএর সোর্স হিসেবে কাজ করে আসছিল। সম্প্রতি ওই ওসি আরএমপি থেকে ঢাকায় বদলি হন। সেই এসআইকেও সম্প্রতি বোয়ালিয়া থেকে অন্য থানায় বদলি করা হয়।  ওসি ও এসআই এর পৃষ্টপোষকতায় দুইভাই অবাধে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। পাশাপাশি তারা ডিবি পরিচয়ে টার্মিনাল এলাকায় মাদক তল্লাশির নামে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা পয়সা ছিনতাই করে আসছিল। মাভেলের নামে আরএমপির বিভিন্ন থানায় চারটি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরএমপির সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহীর কর্ণহার এলাকার তরিকুল ইসলাম এমপি সাফারী নামের একটি কোচে ঢাকা থেকে রাজশাহীর সিরোইল বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে নামেন। এ সময় মাভেল ইসলাম ও তার ভাই নেহাল ইসলাম নিরো এই যাত্রীকে টানতে টানতে আড়ালে নিয়ে যায়। ডিবি পুলিশ পরিচয়ে যাত্রীর শরীর তল্লাশির নামে পকেটে থাকা ৬ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। গাজা ও ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে ভয় দেখিয়ে তরিকুলের মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের লোকেদের কাছে তাকে দিয়েই ফোন করানো হয়। বিকাশে পাঠাতে বলা হয়।

এদিকে তরিকুল ছাড়া পাবার চেষ্টা করলে ওয়াকিটকি বের করে তাকে মাদক দিয়ে চালান করার ভয় দেখায় দুই জন। টার্মিনাল এলাকার কৌতুহলী লোকজন ঘটনা দেখতে ভিড় করলে দুই ছিনতাইকারী নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে পরিচয় দিয়ে তাদেরকেও ভয় দেখায়। এর মধ্যে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাভেল ও নিরো পালানো চেষ্টা করেন। পরে তাড়া করে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আরএমপির সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে মাভেল ও নিরো দুই ভাই আরএমপির একটি থানার সাবেক একজন ওসি ও একজন এসআইএর সোর্স হিসেবে কাজ করে আসছিল। সম্প্রতি ওই ওসি আরএমপি থেকে ঢাকায় বদলি হন। সেই এসআইকেও সম্প্রতি বোয়ালিয়া থেকে অন্য থানায় বদলি করা হয়।  ওসি ও এসআই এর পৃষ্টপোষকতায় দুইভাই অবাধে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। পাশাপাশি তারা ডিবি পরিচয়ে টার্মিনাল এলাকায় মাদক তল্লাশির নামে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা পয়সা ছিনতাই করে আসছিল। মাভেলের নামে আরএমপির বিভিন্ন থানায় চারটি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে দুই ভুয়া ডিবির কাছে পুলিশের ওয়াকিটকি পাওয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে আরএমপিতে। মাভেল ও নিরোকে আটকের পর আরএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শনিবার দিনভর দুই ভাইকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশের ওয়াকিটকি কীভাবে তাদের কাছে গেলো তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন আরএমপির কর্মকর্তারা। তবে ঘটনাটি শনিবার সকালে ঘটলেও কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করেন আরএমপি কর্মকর্তারা। বর্তমানে দুই ভুয়াডিবি বোয়ালিয়া মডেল থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদেরকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ঘটনার সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) গোলাম রুহুল কুদ্দুছ রাতে যুগান্তরকে জানান,  ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। জেনে পরে তিনি বলতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *