ঢাকা, বুধবার ১৯ জুন ২০২৪, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
উখিয়ার অবৈধ স,মিলগুলো গিলে খাচ্ছে বনাঞ্চল !
নিজস্ব প্রতিবেদক ::

কক্সবাজারের উখিয়ায় অর্ধশতাধিক অবৈধ স’মিল গিলে খাচ্ছে শত শত একর সামাজিক বনায়নের গাছ। বন বিভাগের একশ্রেনির অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান এসব করাতকলে বনসম্পদ ধংসযজ্ঞ অপ্রতিরূদ্ধ হয়ে উঠেছে। মাঝেমধ্যে যৌথবাহিনি এসব মিনিসমিল উদ্ধারে প্রয়োজনিয় পদক্ষে গ্রহন করলেও তা হতাশা ব্যাঞ্জক৷ পরিবেশবাদী সচেতন মহল দাবি করছেন এসব সমিল মালিকদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলা রুজু করা না হলে প্রকৃতিক পরিবেশ বিলুপ্তের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনেরমত ভয়াবহ দূর্যোগের সাথে মোকাবেলা করতে হবে৷ এবিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই৷

পরিবেশবাদী সংগঠনের অভিমত, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক স’মিলের কারণে সামাজিক বনায়ন বিলুপ্তির দারপ্রান্তে৷ শুধু তাই নয়, দেশের সামগ্রিক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার কাজ করলেও তা কার্যকর বাস্তবায়ন হচ্ছে না৷ এর নেপথ্যে বনবিভাগের একশ্রেনির কর্মচারী, ভিলেজার নামদারী টাউট বাটপার ও স্থানীয় বনসম্পদ নির্বর কিছুসংখ্যক হতদরিদ্রের কারণে সরকারের মহান উদ্যোগ বনায়ন সৃজন কার্যক্রম ভেস্তে যাচ্ছে৷

সংগৃহীত তথ্যনুযায়ী মরিচ্যাপালং, বড়বিল, রুমকাবাজার, ভালুকিয়া, কোটবাজার ঝাউতালা, হিঝিলিয়া, রাজাপালং, হাজিরপাড়া, হরিনমারা, মাছকারিয়া, ফলিয়াপাড়া, ডিগিলিয়া, কুতুপালং, পালংখালীর বেশকয়েকটি যায়গায় প্রায় অর্ধশতাধীক অবৈধ মিনি সমিল সবুজ সম্পদ ধংস করছে।

সম্প্রতী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি তাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ বনবিভাগ যৌথ অভিযান চালিয়ে কোটবাজার ও পালংখালী থেকে ৪টি মিনি সমিল উদ্ধার করলেও অন্যান্যগুলো বহালতবিয়তে৷ বনকর্মিরা বলছে, এসব সমিল গুলো এমন ভাবে ফিটিং করা হয় যা মূহুর্তে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব৷ যে কারণে সমিল গুলো উদ্ধার করা যাচ্ছে না৷

স্থানীয়ের দাবি অভিযান শুরুর আগে সমিল মালিকেরা খবর পেয়ে যায়৷ ফলশ্রুতিতে সমিলের অন্যান্য অবকাঠামো থাকলেও সমিলটি উধাও হয়ে যায়।

উখিয়ার মরিচ্যা সমিলের গাছ ছিরাই করার সময় এপ্রতিনিধির উপস্থিত টেরপেয়ে সমিল বন্ধ করে সবাই মারমুখী অবস্থানেয়৷ জানতে চাওয়া হলে এসমিলের লাইসেন্স আছিকিনা, জবাবে কয়েকজন কাঠশ্রমিক জানালেন, সমিল মালিক নাই তাই এব্যাপারে আমরা কিছু বলতে পারব না৷

উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেন, বনসম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্য অবৈধ সমিল উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে৷

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামুদ্দিন আহমেদ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে পাহাড় কাটা, বালু উত্তলন, সমাজিক বনায়ন ও সরকারি বনসম্পদ ধংসকারী দূবৃর্ত্তদের বিরক্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ এব্যাপারে স্থানীয়দের আন্তরিকতা বিকল্প নেই৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *