ঢাকা, শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
আধিপত্য বিস্তারের জেরে তিন রোহিঙ্গাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা
উখিয়া নিউজ ডেস্ক :

কক্সবাজারের উখিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে তিন রোহিঙ্গাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও সাতজন।

সোমবার (১০ জুন) ভোরে উখিয়ার ৪ নম্বর (এক্সটেনশন) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের দাবি, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। নিহত ও আহতরা আরএসও সদস্য।

নিহতরা হলেন ৪ নম্বর ক্যাম্পের জাফর আহমেদের ছেলে মো. ইলিয়াছ, মৃত আবদুর রকিমের ছেলে মো. ইছহাক ও ৩ নম্বর ক্যাম্পের মো. ইসমাইলের ছেলে ফিরোজ খানঁ।

আহতদের মধ্যে তিনজন হলেন ৪ নম্বর ক্যাম্পের মো. হাছানের ছেলে আব্দুল হক, নজির আহমদের ছেলে আব্দুস শুক্কুর ও মৃত ওমর মিয়ার ছেলে আব্দুল মোনাফ। তারা কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এনজিও হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। আহত বাকি চারজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মো. ইকবাল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভোরে ৪০-৪৫ জন আরসা সন্ত্রাসী পাহাড় থেকে কাটা তারের বেড়া অতিক্রম করে ৪ নম্বর ক্যাম্পে আসে। ঘটনাস্থলে এসে ক্যাম্পে পাহাড়ারত রোহিঙ্গা ইলিয়াছকে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাতে, পায়ে ও তলপেটে কুপিয়ে মারাত্বক জখম করে। পরে তারা গুলি চালিয়ে এবং কুপিয়ে আরও দুই রোহিঙ্গাকে হত্যা করে। এ সময় গুরুতর আহত হন সাতজন। এসময় ঘটনাস্থলে গেলে এপিবিএন সদস্যদের ওপরও গুলি বর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। সরকারী সম্পত্তি ও জানমাল রক্ষার্থে পুলিশ সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে পাল্টা ১৬ রাউন্ড শর্ট গানের লেডবল কার্তুজ ফায়ার করলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নতুন করে সংগঠিত এবং নাশকতার চেষ্টা করার চেষ্টা করছে আরসার। মূলত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালায় আরসা সন্ত্রাসীরা। তারা গুলি এবং কুপিয়ে তিনজন রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। তাদের হামলায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। হতাহতরা আরএসও সদস্য।

উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন বলেন, নিহত তিন রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *